৬ জুলাই ১৯৮২, শতাব্দীর দীর্ঘতম পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের রাত। বাণীনগর শিল্পনগরীর অদূরে রহস্যময় কালিদহের পাড়ে এক সন্ধে নিখোঁজ থাকার পর চারজন বালক-বালিকাকে অজ্ঞান অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল পরদিন ভোরবেলায়, এবং সেই সন্ধেতেই এই চারজনের ঘনিষ্ঠ একজন তরুণ, অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্ট রণজয় কর্মকার নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল। তার আগের সপ্তাহ জুড়ে গুজব ছড়াচ্ছিল যে রণজয় যে যন্ত্রটি দীর্ঘদিন ধরে তৈরি করছিল, সেটি হয়তো গুপ্তচরবৃত্তির উদ্দেশে নির্মিত।
রহস্য ঘনীভূত হয়, কিন্তু জ্ঞান ফেরার পর সেই বালক-বালিকারা সেই সন্ধেয় কী হয়েছিল, বলতে চায়নি। কৈশোরের দ্বারপ্রান্তে সেই বালক-বালিকারা এতটা বুঝে তখন প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে উঠছে যে বাকিটা জীবন তাদের প্রিয় রণদার সঙ্গে বাল্যকালের জন্য শোকযাপন করেই কাটবে।
৩৯ বছর পর, তাদের তিনজন এখন মধ্যবয়স্ক। তাঁরা শোনেন যে রণজয় ফিরে এসেছিলেন ১৯৯২ সালে, বাকিটা জীবন অন্তরালে কাটিয়ে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার সময় এই তিনজনের কাছে রেখে গেছেন আরেকটি রহস্যজনক যন্ত্রের ব্লুপ্রিন্ট, যেটি হয়তো একটি টাইম মেশিনের।
সেই মেশিনের দ্বারা কি সম্ভব হবে ’৮২-র সেই সন্ধেবেলাটা পালটে ফেলা? যে সন্ধের রহস্যের সমাধান এই বিশ্ব করতে পারুক, তাঁরা কোনোদিনও চাননি?
Chelebela Notebook
RONGROOT 




There are no reviews yet.