“হোয়াট? পুতুলের যত্ন আত্তি!” আরণ্যকের দু চোখে বিস্ময়ের কালো মেঘ।
“পুতুলটাকে কেউ অশ্রদ্ধা বা অসম্মান করলে তার জীবনে নেমে আসে ভয়াবহ অভিশাপ! “, অনির্বাণজ্যোতি একটু চুপ করে থেকে বললেন, “একটা অলৌকিক শক্তি আছে পুতুলের মধ্যে। বুঝেছ?”
“ধুস! এরকম আবার হয় নাকি?” হো হো করে হেসে ওনার দিকে তাকিয়ে সমস্ত দাবি ফুৎকারে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেন আরণ্যক সেন।
সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মনে হল, এভাবে হাসাটা মনে হয় উচিত হল না। অনির্বাণজ্যোতি কি তবে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন? ডাক্তারি ছেড়ে তিনি কি এখন সারাদিন পুতুলের সেবা করেন বাড়ীতে বসে? পুতুলকে স্নান করান, খাওয়ান, পোশাক বদলে দেন! সত্যিই মানুষের কি ভয়ানক পরিণতি।
অনির্বাণজ্যোতি বললেন, “যখনই ওর প্রতি অবহেলা হচ্ছে, এই যেমন ধরো কোনদিন হয়তো পোশাক বদলাতে ভুলে গেলাম, বা হয়তো ওর পছন্দের খাবার দিতে পারলাম না, ওর মুখের চেহারাটাই বদলে যায়। মাঝরাতে পাশের ঘরের দেওয়ালে জোরে জোরে মাথা ঠোকার আওয়াজ পাই। কখনো চিৎকার করে কাঁদে, কখনো বা অট্টহাসি হাসে ওই পুতুল”।
বারোটি ভয়াবহ ভৌতিক থ্রিলার।
রজতশুভ্র মজুমদার
Satyabratar Diary
Rafik Samagra 2 




There are no reviews yet.