অ্যাসিস্ট্যান্ট ড্রাগ কন্ট্রোলার তমোঘ্ন মিত্রর কাছে উড়ো ফোন আসে যে বিখ্যাত ওষুধ কোম্পানি ‘রে ফার্মা’ নিম্ন মানের ওষুধ বাজারে চালান করছে। তমোঘ্ন নিজে ওষুধ গুলোর ক্যামিক্যাল অ্যানালিসিস করতেই ঐ খবরের সত্যতা প্রমাণিত হয়। তমোঘ্ন’ রে ফার্মা’র ওষুধ বিক্রি বন্ধ করতে তৎপর হয়। ঘটনাচক্রে ওর সাথে জড়িয়ে পড়ে বোটানিস্ট দীপিসা। তমোঘ্নর ওপর বারবার প্রাণঘাতী হামলা করে আততায়ীরা।
দীপিসার দিদি দেবাঙ্গি জানতে পারে তার ঠাকুর্দা ও বাবার তৈরী করা নার্সিং হোম জীবনদীপে কিছু সন্দেহ জনক ঘটনা ঘটছে। সেই ঘটনা গুলোর পেছনের কারণ অনুসন্ধান করতে দেবাঙ্গিকে সাহায্য করতে গিয়ে অজ্ঞাত আততায়ীর হাতে প্রাণ হারায় তার বন্ধু সুস্নাত। তদন্তে নামে এক দক্ষ পুলিশ অফিসার ইন্দ্রতোষ।
তমোঘ্ন কি পারবে নিজের প্রাণ বাঁচিয়ে ‘রে ফার্মা’র নিম্নমানের ওষুধ বিক্রি বন্ধ করতে? দীপিসা কি পারবে তমোঘ্নকে সাহায্য করতে? দেবাঙ্গি কি শেষ পর্যন্ত জীবনদীপে ঘটে চলা বে আইনি কার্য কলাপের হদিস পাবে? ইন্দ্রতোষ কি শনাক্ত করতে পারবে সুস্নাতর খুনীকে? জানতে হলে পড়তে হবে “বিষাক্ত সঞ্জীবনী” যার পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে উত্তেজনা আর রোমাঞ্চ। তবে এ কাহিনী কেবল রহস্য রোমাঞ্চের কথা বলে না, শোনায় মিষ্টি প্রেমের গল্পও। এ কাহিনী পড়তে শুরু করলে পাঠক শেষ না করে উঠতে পারবেন না।
Palok Pore Thake
Satyabratar Diary 





There are no reviews yet.