ঠিক কীসের বদনাম আছে ওই বাড়িটার, সে কথা ম্যালকমসন জিজ্ঞেস করার প্রয়োজনও বোধ করল না। কারণ ও জানে যে থাকতে শুরু করলেই আশেপাশের প্রতিবেশীরা তাকে সেসব ঠিক জানিয়ে দেবে। তিন মাসের আগাম ভাড়া দিয়ে, রসিদ কাটিয়ে, বাড়ির চাবি পকেটে নিয়ে সরাইখানায় ফিরল সে। বাড়ির কাজ করার জন্য একজন ঠিকে বুড়ি মহিলাও জোগাড় করে ফেলল সে আসবার পথে। ব্যাগপত্র গুছিয়ে নেবার পর সরাইখানার মহিলা মালকিনের কাছ থেকে কিছু খাবারদাবারের ব্যবস্থাও সে করে ফেলল। মহিলাও বড়ো ভালোমানুষ, তাকে তিন-চারদিনের রসদ গুছিয়ে দিতে সাহায্য করলেন। কিন্তু যখন ম্যালকমসনের কাছে শুনলেন যে সে কোথায় উঠছে তখন মহিলার মুখ শুকিয়ে গেল। – ওই জজসাহেবের ভবন! সর্বনাশ! ও বাড়িতে যাবেন না! ম্যালকমসন জানতে চাইল, বাড়িটার এরকম নাম কেন? আর সেখানে থাকলে অসুবিধাটাই বা কী? উত্তরে ভদ্রমহিলা জানালেন যে একশো বছরেরও আগে ওই জজ প্রচুর অপরাধীদের ভয়ংকর সব সাজায় দণ্ডিত করেছিলেন। সবাই বলত যে, অপরাধীদের ফাঁসির সাজা দিয়ে তিনি এক পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করতেন। যে কারণে সকলেই তাঁকে ভয় করত। মহিলা নিজে বিবাহসূত্রে এই শহরে এসেছেন, এখানে তাঁর জন্ম নয়, অতএব এর বেশি আর কিছু তিনি জানেন না। তবে লোকে বলে ব্যাংকের সব টাকা দিলেও কেউ রাতে ও বাড়িতে একা থাকতে চাইবে না।
| Weight | 0.5 kg |
|---|---|
| Dimensions | 30 × 10 × 2 cm |
| binding | Hardcover |
| language | Bengali |
| publisher | BOOKFARM |






There are no reviews yet.