এক-একটা টেলিফোন নাড়িয়ে দিয়ে যায় জীবন। এমনই একটা টেলিফোন বার্তা নিয়ে ঝড় উঠেছে র-এর অন্দরমহলে। দিল্লির টেকনিক্যাল ডিভিশন আই এস আই-এর হেড অফিসের একটা গোপন বার্তা ইন্টারসেপ্ট করছে—
‘পিঞ্জরা তৈয়ার হ্যায়। বেরুন মুল্ক সে রওয়ানা হুয়ে। চিড়িয়া অব কয়েদ হোগাহি। শুভানআল্লাহ্ ফির সে পঁয়ষট হোগা।’
র-এর বাঘা বাঘা গোয়েন্দারা নেমে পড়েছেন এর মর্মোদ্ধারে। খাঁচা, বিদেশ, পঁয়ষট্টি— শব্দগুলো রাতের ঘুম উড়িয়েছে পি এন ব্যানার্জির। পাকিস্তানি গোয়েন্দা এজেন্সি খাঁচার ব্যবস্থা করছে, এটা না হয় বোঝা গেল। কিন্তু সেটা বিদেশ থেকে আনা হবে কেন? তা হলে কি আমেরিকা বা ইংল্যান্ডের কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে এতে? এই ষড়যন্ত্রের কথাই কি বলতে চেয়েছিল সোধির এজেন্ট পরমজিৎ? খবর ফাঁস হওয়ার আশঙ্কাতেই কি তা হলে পরমজিৎকে সরিয়ে দিল এম আই সেভেন? এত প্রশ্নের মধ্যে ব্যানার্জি-সাহেব সবচেয়ে বেশি চিন্তিত ‘পঁয়ষট’ শব্দটা নিয়ে। পঁয়ষট কি আই এস আই-এর কোনও কোড নম্বর? কোনও সিক্রেট মিশন? তা হলে কী হয়েছিল সেই মিশনে? নাকি ‘পঁয়ষট’ বলতে ১৯৬৫ বোঝানো হচ্ছে? কী হয়েছিল পঁয়ষট্টি সালে?
পাকিস্তানের সামরিক শাসকের চক্রান্তের গন্ধ পেয়েছে ভারতের গুপ্তচর সংস্থা ‘র’। ‘র’-এর এজেন্ট ডক্টর পাকিস্তান চষে ফেলছে ‘অপারেশন চিড়িয়া’-র রহস্যভেদে।
হঠাৎ করে পাকিস্তানে সফরে কেন আসছে কমনওয়েলথ একাদশ? কেন-ই বা পাকিস্তানের ক্রিকেট দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে দুই পাকিস্তানি ক্রিকেটার? রাকিবুল কি পারবে প্রথম বাঙালি হিসেবে পাকিস্তানের ক্রিকেট দলে জায়গা করে নিতে? জুয়েল রাজিয়ার প্রেম কি সফল হবে? ডক্টর কি পারবে ‘অপারেশন চিড়িয়া’-র রহস্যভেদ করতে? ইয়াইয়া খানের চক্রান্ত কি ধরতে পারবে চিড়িয়াকে?
‘পিউমিস’-এর পর চমক মজুমদারের দ্বিতীয় থ্রিলার ‘চিড়িয়া’।
SIDDHIGANJER MOKAM
BANGALIR SHIKAR SMRITI 





There are no reviews yet.