খাজুরাহো এক মন্দির নগরী। যেখানে চান্দেল রাজবংশ প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নির্মাণ করিয়েছিলেন বিভিন্ন দেবদেবীর মন্দির। যেখানে মন্দিরের গায়ে গায়ে মানুষ মানুষীর রতিমূর্তি উৎকীর্ণ। দীর্ঘদিন আধুনিক মানুষের চোখের আড়ালে থাকার পর বৃটিশ শাসিত ভারতবর্ষে পুনরাবিষ্কৃত হয়েছিল এই মন্দিরনগরী। আজ সেটি একটি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট। প্রশংসা ও নিন্দা দুইই হয়েছে খাজুরাহো নিয়ে। আর হয়েছে বিতর্ক। শিল্পরসিক, বিদগ্ধ পণ্ডিত থেকে শুরু করে সাধারণ দর্শক সবার কাছেই খাজুরাহো একটি নিষিদ্ধ আকর্ষণের নাম। খাজুরাহো নিয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন ভাষায় লেখা হয়েছে অসংখ্য গ্রন্থ। এই কাহিনি – শুধুমাত্র খাজুরাহোর কাহিনি নয়, এই কাহিনি এক সাধারণ যুবকের রাজবংশ স্থাপনের কাহিনি। এই কাহিনি শিল্প ও শিল্পীর কাহিনি। এই কাহিনি খাজুরাহোর একটি নতুন খোঁজের কাহিনি।
যা পড়ে মনে হয় এমন কেন সত্যি হয় না আহা।
SILABATI UPATWAKAR LOKAOTO PRATNAJIBON 





There are no reviews yet.