সত্যজিৎ পাগল এক ব্যক্তি হঠাতই মারা গেলেন কেদারনাথের পথে যার বাড়িতে রয়েছে সত্যজিৎ রায়ের লেখা থেকে তুলে আনা অসংখ্য চরিত্র বা জিনিসপত্রের রেপ্লিকা। মৃত্যুর কিছুদিন আগে তিনি তার ভাইপো ভাইঝিকে ফোন মারফত বলে গেলেন অদ্ভুত কিছু কথা। এই কথার মানে কী আর তার এই হটাৎ মৃত্যুর কারণই বা কী? ভাইপো ভাইঝি নীলুদার শরণাপন্ন হয় এই রহস্য উদঘাটনের জন্য।
এদিকে তদন্ত চলাকালীন মৃত ভদ্রলোকের বন্ধুদের জীবনেও নেমে আসে দুর্যোগ। একজন খুন হয়ে যান অকস্মাৎ, অপর আরেকজন হয়ে যান নিখোঁজ। এসবের সঙ্গে যোগ রয়েছে সত্যজিৎ রায়ের মৃত্যুদিনের। সেই যোগসূত্রই বা কী? তদন্তের শুরুতে ব্যাপারটা যত হাল্কা মনে হচ্ছিল তা হয় না। রহস্যের জট খুলতে হলে অনেক ধাঁধা সমাধান করতে হবে। এবং সমস্ত ধাঁধা সমাধান করতে হলে সত্যজিৎ রায়ের লেখাগুলো পড়তে হবে ভালো করে, কারণ সব সংকেত তার ভেতরেই আছে।
বাদশাহী আংটি, সমাদ্দারের চাবি কিংবা খগম, সত্যজিৎ রায়ের লেখা ঘুরে ফিরে আসতে থাকে বারবার, রহস্যের ছত্রে ছত্রে। নীলুদার মগজাস্ত্র কি পারবে এই সবের সমাধান করতে? না কি গল্পের শেষে জয় হবে দুষ্টু লোকেদেরই? টানটান রোমাঞ্চে ভরপুর “রায় রহস্য” এইসবেরই উত্তর দেবে পাঠককে।
BIVA HERCULI POYROT COLLECTION
Alapcharitai Sekaler Chitrataraka 





There are no reviews yet.