ভৌতিক অলৌকিক ঘরানার সাহিত্যের সাথে বাঙালির ওঠাবসা অনেকদিনের। সান্ধ্যকালীন আড্ডায় বছরে কী দু’বছরে একবার বাড়িতে আসা পিসেমশাই, মেশোমশাই বা ছোটোদাদুদের কাছে তাদের নিজের চোখে দেখা ভুতের গল্পের স্বাদই ছিল আলাদা। আর সেই স্বাদ এতটাই প্রবলভাবে মনের কোরকে তার স্থান করে নেয় যে দানো, পিশাচ, মামদো, ভুলো থেকে শুরু করে ভিনদেশী ড্রাকুলা, ওয়ারউলফ বা জ্বিনেরাও জায়গা করে নেয় সেখানে। শুধুমাত্র বাংলা সাহিত্যর ক্ষেত্রে এই ধারার ইতিহাস নিয়ে বিবর্তন ও আলোচনা করতে গেলে একটা মোটা এনসাইক্লোপিডিয়া রচনা করা হয়ে যাবে এবং তারপরেও বাকি থেকে যাবে অনেককিছু।
বর্তমান সময়ে ভৌতিক সাহিত্যের এই ধারাটি সংশয়াতীতভাবে জনপ্রিয়তার নিরিখে এক অন্যমাত্রা স্পর্শ করেছে এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই এবং সেই কারণেই ভৌতিক গল্পের ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত আলাদা কিছু করে দেখানোটা একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছে আজকের দিনে। তাই এবারে আর ছোটোগল্পের নয়, আয়োজন হল একটু বড়ো। লেখকের কাছে চরিত্র নির্মাণ ও গল্পের পরিসরের ব্যাপ্তি, শব্দের সীমারেখার মধ্যে বেঁধে রাখার বাধ্যবাধকতায় যাতে কুঞ্চিত না হয়ে যায় সেইদিকটি সর্বপ্রথম নিশ্চিন্ত করা হয়।
‘ষড়ভূত’ নামের এই সংকলনটিতে স্থান পেয়েছে বর্তমান সময়ের তথাকথিত নবীন অথচ বলিষ্ঠ কলমের আঁচড়ে রচিত বড়োগল্প ও উপন্যাসিকা মিলিয়ে মোট ছটি ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের অলৌকিক গল্প। প্রতেকটি গল্প বিষয়বস্তু ও প্রেক্ষাপটের দিক থেকে একে অপরের থেকে সম্পুর্ণ স্বতন্ত্র।
সূচিপত্র
- অন্ধকারের গ্রাস- ঐষিক মজুমদার
- অভিশপ্ত হিল হাউস- প্রিয়াঙ্কা চ্যাটার্জি
- নেমেসিস- সুমন বিশ্বাস
- সমান্তরালে- পৌলমী গঙ্গোপাধ্যায়
- ভূতাবুড়ির অভিশাপ- আশিস চক্রবর্তী
- বাহির মহল- শম্পাশম্পি চক্রবর্তী
Bishohori
Norok 





There are no reviews yet.