২০২৩ সালের ভারত – প্রযুক্তি আর অর্থনীতিতে অসাধারণ উন্নতি করেছে দেশ। কিন্তু এতো কিছুর পরেও দেশের কিছু অংশ পড়ে রয়েছে অন্ধকারে! অনেক প্রত্যন্ত গ্রামে এখনো জাত-পাত, ধর্ম-বর্ণ আর ধনী-গরীবের হিসাবে মানুষ বিচার করা হয়…পুরো ভারত উন্নতি করলেও এই অঞ্চলগুলো এখনো পড়ে রয়েছে মধ্যযুগের অন্ধকারে!
তরুণ ডাক্তার গৌতম সুব্রামানিয়াম সপরিবারে চেন্নাই যাচ্ছিলো এক ঝড় ঝঞ্ঝার রাতে, পথে হুট করেই খারাপ হয়ে গেলো গাড়িটা এক পরিত্যক্ত গ্রাম কাট্টিয়ালের পাশে। স্ত্রী আর মেয়েকে গাড়িতে রেখে তুমুল বৃষ্টির মধ্যে কাছের গ্রাম নবমালাইয়ে সাহায্যের জন্য গেলো সে!
কিন্তু কেউ তাঁকে সাহায্য করতে রাজি নয়, গ্রামবাসীদের মতে গৌতমের স্ত্রী আর মেয়ে আর বেঁচে নেই! ওদেরকে গ্রাস করেছে কাট্টিয়ালের অশুভ আত্মারা! ২০০৪ সালের সুনামিতে শেষ হয়ে গেছে ওই গ্রামটি, কিন্তু এখনো ওখানে ঘোরে পৈশাচিক সব অশুভ আত্মারা।
অবাক হয়ে গেলো গৌতম, ২০২৩ সালে এসব কেউ বিশ্বাস করে?
অবশেষে গ্রামের তিনজন প্রবীণ ব্যক্তি এগিয়ে এলেন তার সাহায্যে। গ্রামের প্রধান শক্তিভেল থেভর, মেকানিক/কামার রাজা আর শুঁড়িখানার মালিক পিটার পান্ডিয়ান। শক্তি আর রাজা দুজনেই নিজেদের সন্তানকে হারিয়েছিলেন ওই অশুভ গ্রামের কারণে…তাঁরা চান না গৌতমও নিজের প্রিয়জনদের হারাক। তাই বর্ষণমুখর রাতে বেরিয়ে পড়লেন তিন বন্ধু ডাক্তারের পরিবারকে উদ্ধার করতে।
রাতের আঁধারে কাট্টিয়ালে পৌঁছলেন তারা, আর বুঝতে পারলেন, ওই গ্রামকে যে ‘অভিশাপ’ ঘিরে রয়েছে তা অতিপ্রাকৃত কিছু নয় বরং এ অভিশাপ ‘রক্ত-মাংসের’! শক্তির পূর্ব পুরুষদের পাপের ফল!
এখন কী হবে? ওরা চারজন কি পারবেন গৌতমের স্ত্রী আর মেয়েকে খুঁজে বের করতে? পারবেন ওই অভিশপ্ত গ্রাম থেকে জীবিত বের হতে? নাকি বাকি সকলের মতো কাট্টিয়ালের অজানা অভিশাপ গ্রাস করবে তাদের?
SIDDHIGANJER MOKAM
SERA HANDA BHONDA SAMAGRA 





There are no reviews yet.