বৈদিক তাঁর ছোটমামা অভয় কে নিয়ে আচ্ছন্ন, যিনি নাকি সন্ন্যাসী হয়ে যান। খবর আসে যে বৈদিকের ছোটমামা ফিরে আসছেন।
পুরাকালে জম্বুক প্রদেশের প্রবল প্রতাপশালী রাজা ছিলেন চন্দ্রকেতু। রাজপুরোহিত বিল্বদেব মহারাজকে পনেরো দিনের জন্য মৃগয়ায় যেতে নিষেধ করেন কিন্তু রাজা অহংকারবশত পুরোহিতের নিষেধ অগ্রাহ্য করে মৃগয়ায় যান। মৃগয়া চলাকালীন অরণ্যবাসী এক তন্ত্রসিদ্ধ সাধুর পৌত্রী উশ্রীমালা তাঁকে দেখে প্রেমে পড়েন। উশ্রীমালার অনুরোধে কৃপালাচার্য্য রাজার কাছে তাঁর পৌত্রীর পাণিগ্রহণের জন্য ভিক্ষা চান এবং প্রত্যাখ্যাত হন যার পরিণতি ঘটে উশ্রীমালার করুন আত্মহুতিতে। ক্রোধান্বিত কৃপালাচার্য রাজা এবং রাজপরিবারকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে ভামিনী যক্ষিণীকে নামিয়ে আনেন পৃথিবীতে।
একজন সন্ন্যাসী (বৈদিকের মামার ধর্মগুরু) যক্ষিণীর মুখোমুখি হন। তিনি বুঝতে পারেন লামা সাংচো রিনপোচের ভুলই মানবজাতির এই মহাবিপদ ডেকে এনেছে। সন্ন্যাসী তখন নিজেকে উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নেন।
Alapcharitai Sekaler Chitrataraka 





There are no reviews yet.